1. admin@doinikpatuakhali.com : admin :
রবিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২২, ০৩:৩৫ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
পটুয়াখালীতে গুঁড়ি বৃষ্টি ও শীতে জনজীবনে স্থবিরতা গলাচিপায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় একজনের মৃত্যু গলাচিপায় করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন এর সচেতনতা মূলক প্রচারণা আমতলী হতে মাদক মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামীকে গ্রেফতার র‌্যাব-৮ বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে পুষ্পস্তাবক অর্পণ করলেন পটুয়াখালী চেম্বার অব কমার্স’র নব-নির্বাচিতরা পটুয়াখালীতে করোনা মোকাবেলায় জেলা পুলিশের মাস্ক বিতরণ ও সচেতনতা মূলক প্রচারণা পটুয়াখালীতে করোনা প্রতিরোধক বুথ স্থাপন ও সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ পটুয়াখালীতে তিন দিনব্যাপী সুবর্ণ জয়ন্তী শ্যূটিং প্রতিযোগিতার উদ্বোধন সারা দেশেই সুষ্ঠ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে -নির্বাচন কমিশনার বেগম কবিতা খানম পটুয়াখালীতে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সমাবেশ অনুষ্ঠিত

বাউফলে একাডেমিক সুপারভাইজারের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

বাউফল প্রতিনিধিঃ
  • প্রকাশিত : সোমবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২১
  • ১৫ বার পড়া হয়েছে

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার একাডেমিক সুপারভাইজার মো. নুরনবীর বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। একাডেমিক সুপারভাইজার শুধু কাগজে কলমে দায়িত্ব পালন করায় মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। বিষয়টি নিয়ে সাধারণ শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বাউফল উপজেলায় মোট ৬১টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ৬৭টি দাখিল মাদ্রাসা রয়েছে। একাডেমিক সুপারভাইজারের নিয়মিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর উপস্থিতি নিশ্চিত করার কথা থাকলেও তিনি অধিকাংশ সময় কর্মস্থলে উপস্থিত থাকেন না। সপ্তাহে বা ১৫দিন পরপর কর্মস্থলে এসে একসঙ্গে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেন। বছরে দুইটি পরীক্ষায় সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় প্রশ্নপত্র প্রনয়ন করার কথা। কিন্তু একাডেমিক সুপারভাইজারের সঙ্গে আঁতাত করে কতিপয় অসাধু শিক্ষক উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির মাধ্যমে অভিন্ন প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করছে। একাডেমিক সুপারভাইজারের কর্তব্য অবহেলার কারনে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে মুভমেন্ট রেজিষ্টার অনুসরণ করা হয় না। ফলে শিক্ষকরা নির্ধারিত ক্লাশ নিয়ে প্রতিষ্ঠান থেকে বের হয়ে ছুটির আগেই বাড়ি চলে যান। প্রায় প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শ্রেণী কক্ষে পাঠদানে গুরুত্ব না দিয়ে প্রাইভেট ব্যাচে পড়ানোর প্রথা চলছে। বেশীরভাগ বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান, গণিত ও ইংরেজী বিষয়ের শিক্ষকদের বাসায় মিনি স্কুল খোলা হয়েছে। শ্রেণীকক্ষে পাঠদান না করায় অভিভাবকরা বাধ্য হয়ে সন্তানদেরকে প্রাইভেট পড়াচ্ছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাউফল আদর্শ বালিকা মাধ্যমিক, বাউফল মডেল মাধ্যমিক, বিলবিলাস আবদুর রশিদ সর্দার মাধ্যমিক, কাছিপাড়া মাধ্যমিক, কালিশুরী মাধ্যমিক ও কালাইয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একাধিক অভিভাবক বলেন, একাডেমিক সুপারভাইজারের তদারকির অভাবে মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে শ্রেণী কক্ষে পাঠদান করা হয় না। শিক্ষকরা বাণিজ্যিক হয়ে যাওয়ায় প্রাইভেট নির্ভর চলছে পাঠদান। ফলে এসএসসি ও এইচএসসি পাশের পর এখানকার হাতেগোনা কয়েকজন শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পায়। চাকুরির ইন্টারভিউর ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। এ প্রসঙ্গে বাউফল আদর্শ বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক এওয়াইএম কামরুজ্জামান বলেন, একাডেমিক সুপারভাইজারের যথাযথ মনিটরিংয়ের অভাবে বাউফলে মাধ্যমিক শিক্ষার গুণগত ভেঙে পড়েছে। শুধু পাশ নির্ভর পাঠদান চলছে। সেক্ষেত্রে অভিভাবকদের আরও সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। অনিয়ম ও কর্মস্থলে অনিয়মিত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মো. নুরনবী বলেন, এসব অভিযোগ সত্য নয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

প্রযুক্তি সহায়তায় ইন্টেল ওয়েব