দুমকিতে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম দূর্ণীতির অভিযোগ

0
282

মোঃ সাইফুল ইসলাম, দুমকিঃ পটুয়াখালীর দুমকিতে প্রধান শিক্ষকের অনিয়ম-দূর্ণীতির অভিযোগ উঠেছে। এছাড়াও খামখেয়ালীপ সহ নানা অব্যবস্থাপনায় ৪৩নং দক্ষিন লেবুখালী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম ভেঙ্গে পড়েছে। প্রধান শিক্ষক শিক্ষা অফিসের কাজের অযুহাতে প্রায়শ:ই স্কুল কামাই দেয়ায়ই তার নিয়মিত স্বভাব । এতে কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীরা যথারীতি স্কুলটিতে উপসি’ত হলেও ঠিকমতো ক্লাশ নেয়া হচ্ছে না।
দীর্ঘ দিন যাবৎ ব্যবস্থাপনা কমিটি (এসএমসি) না থাকার সুযোগে প্রধান শিক্ষক নিজের খেয়াল খুশিতেই চালাচ্ছেন বিদ্যালয়ের পাঠদানসহ শিক্ষা কার্যক্রম। স্কুলটিতে কর্মরত অন্যান্য শিক্ষকরাও প্রধান শিক্ষকের সান্নিধ্যে এসে অনেকটা গা-ছাড়া ভাবে চলতে অভ্যস’ হয়েছেন। উপজেলার পশ্চিমে প্রত্যন্ত অঞ্চলে অবসি’ত বিদ্যালয়টি প্রধান শিক্ষকের একক নেতৃত্বে দুর্নীতি করেন এমন অভিযোগের কথা বলেন, অভিভাবক ও এলাকাবাসী। একাধীক সুত্রে জানা যায়, স্কুল উন্নয়নের জন্য সিলিপের টাকা স্কুল সংস্কারের টাকাসহ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে প্রধান শিক্ষক মো. বজলুর রহমান এর বিরুদ্ধে। ম্যানেজিং কমিটির সদস্যরা বলেন, কমিটি গঠনের মেয়াদ দীর্ঘদিন আগে পেরিয়ে গেলেও অদ্যাবদি পর্যন্ত প্রধান শিক্ষক কোন মিটিং করেনি। এছাড়া কোন জাতীয় দিবস বাস্তবায়ন, স্কুলের উন্নয়ন কিংবা ছাত্র-ছাত্রী বৃদ্ধিতে কোন প্রকার পরামর্শ করেন না। ২০১২ থেকে চলতি অর্থ বছরের স্ল্লিপের টাকা দিয়ে কোন সরঞ্জাম না কিনে অর্থ আত্মসাত করেছে প্রধান শিক্ষক। তাই স্কুলের অনিয়ম ও দুর্নীতির মুল হোতার বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুসে উঠেছে স্কুলের কমিটি, অভিভাবক ও এলাকা বাসী।
এ বিষয় প্রধান শিক্ষক বজলুর রহমান বলেন, আমি যেভাবে চালাই তেমনেই স্কুল চলে। আর অর্থ আত্মসাতের বিষয় তিনি কোন সদুত্তর দিতে পারেননি তবে কমিটির বিষয়ে বলেন, শীঘ্রই কমিটি নিয়ে বসা হবে। এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক (ভারপ্রাপ্ত) শিক্ষা কর্মকর্তা মরিয়ম পারভিন বলেন, বিয়টি আপনাদের মাধ্যমে অবগত হয়েছি। তবে এ বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here