1. admin@doinikpatuakhali.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল ২০২১, ১০:০৯ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
আজ পহেলা এপ্রিল থেকে পটুয়াখালীর কুয়াকাটা পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ ঘোষনা পটুয়াখালীতে গ্রামীণ ব্যাংক অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির অবস্থান কর্মসূচী ও স্মারকলিপি প্রদান পটুয়াখালীতে স্ত্রীকে হত্যার ঘটনায় ঘাতক স্বামীর ফাঁসির দাবীতে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ ও মানববন্ধন পটুয়াখালীতে যুবলীগ নেতা জামাল হোসেন’র উদ্যোগে ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা সেবা প্রদান বাউফল উপজেলা আ’লীগ ও স্বেচ্ছাসেবলীগ নেতার উপর হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল বাংলাদেশ উদযাপনে শেখ হাসিনা সেনানিবাস উদ্যোগে র‌্যালি বাংলাদেশে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ করায় পটুয়াখালীতে র‌্যালি ও আলোচনা সভা পটুয়াখালীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতার সূবর্ণ জয়ন্তী ও জাতীয় দিবস পালিত পটুয়াখালী ফোকাস ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ফ্রি চিকিৎসা সেবা শুরু গলাচিপায় বিশ্ব যক্ষা দিবস পালিত

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে প্রার্থীদের শীর্ষে ড. মোঃ রবিউল হক

রিপোর্টারের নাম :
  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৯৭ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ঃ পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে প্রার্থীদের শীর্ষে ড. মোঃ রবিউল হক। তিনি ঝিনাইদহ জেলার করাতিপাড়া গ্রামের মৃত সিরাজুল হক জোয়ার্দ্দার ও রাবিয়া খাতুন এর ছেলে। তিনি একজন আওয়ামীলীগ পরিবারের সন্তান। তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে আওয়ামী রাজনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় আদর্শিক এবং সাংস্কৃতিকভাবে সক্রিয় একজন গুনি ব্যক্তি। এছাড়াও তিনি একজন ছাত্র-ছাত্রীবান্ধব শিক্ষক হিসেবে সকলের কাছে সুপরিচিত। শিক্ষার্থীদের সকল ধরনের বিপদ আপদে নিজেকে উজার করে দিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষিকাসহ সকল স্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারি বৃন্দ সকলে তাকে মনে প্রানে ভালোবাসেন। শুধু তাই নয় শিক্ষার প্রতি ভালোবাসার থাকার কারনে তার সন্তানেরা আজ সুশিক্ষায় সুশিক্ষিত। তার এক ছেলে ও এক মেয়ে। তার ছেলে ইঞ্জিনিয়ার ও মেয়ে ডাক্তার। তিনি মনে করেন বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে বঙ্গবন্ধুর সপ্ন বাস্তবায়নের জন্য খুব ভালো মন মানসিকতার প্রয়োজন। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের যে কোন সমস্যা তৈরি হলেই তিনি ওই স্থানে হাজির হয়ে এবং তৎক্ষনাত তার সমাধান করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে তার সহকর্মী, শিক্ষক, ছাত্র, এবং কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের সাথে কথা বলে এই তথ্য পাওয়া যায়। এই জন্য ক্যাম্পাসের সকলেই তাকে মন থেকে ভালোবাসেন। তিনি বিভিন্ন সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ডীন, পরিচালক, প্রভোষ্ট এবং ছাত্র উপদেষ্টা সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ন পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। সেই অভিজ্ঞতায় বাংলাদেশ সরকারের উন্নয়ন যাত্রার অংশিদার হিসেবে এই বিশ্ববিদ্যালয় এগিয়ে যাবে তিনি মনেপ্রানে বিশ্বাস করেন। তিনি ১৯৭২ সালে যশোর বোর্ড থেকে প্রথম বিভাগ পেয়ে এস.এস.সি পাশ করেন। ১৯৭৪ সালে একই বোর্ড থেকে উচ্চ মাধ্যমিকে দ্বিতীয় বিভাগ পেয়ে উত্তীর্ণ হন। বি.এস.সি কৃষিতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ময়মনসিংহ (বিএইউ) থেকে ১৯৭৮ সালে দ্বিতীয় বিভাগ। এম.সি.সি. (কৃষি) জৈব রসায়নে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বিএইউ), ময়মনসিংহ, ১৯৭৯ সালে বাংলাদেশ দ্বিতীয় বিভাগ অর্জন করে। পিএইচডি বায়োকেমিষ্ট্রি(১৯৯৮) (বেলজিয়াম এবং বাংলাদেশ) বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বিএইউ), ময়মনসিংহ, বাংলাদেশ এবং ১৯৯৯ সালে বেলজিয়ামের ঘেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়, (ইউএসএআইডি দ্বারা অর্থাযিত বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের সহযোগীতায় বেলজিয়ামের বিএইউ এবং বেলজিয়ামের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় প্রোগ্রামের অধীনে) বাংলাদেশ এবং বেলজিয়ামে ফ্লিমিশ আন্তবিচিত্র কাউন্সিল (ভিএলআইআর) এবং বেলজিয়াম প্রশাসন ও উন্নয়ন ও সহযোগিতা (বিএডিসি)। তিনি খুব বাল্যকাল থেকেই বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক আদর্শের সাথে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। তিনি স্কুল সময়কালে (১৯৬৭-১৯৭১) ক) গণঅভ্যুথান -১৯৬৯ খ) নির্বাচনী প্রচার -১৯৭০, গ) ডামি রাইফেল নিয়ে মুক্তিযোদ্ধা প্রশিক্ষন এবং ২৫ শে মার্চ পরে যশোর সেনানিবাস থেকে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর অধীনে তিন মাস -১৯৭১ ঘ) কলেজ সময়কালে (১৯৭২-১৯৭৪)।ক) জাতির পুননির্মানে অংশ নিয়েছিলাম এবং বঙ্গবন্ধুর সাধারণ আহŸানে রাস্তায়, বাঁশের সেতু এবং কেবি হাই স্কুল, করতিপাড়া নামে একটি উচ্চ বিদ্যালয় নির্মাণ করেছিলেন। গ) ক্ষুধার্ত লোকদের খাওয়ানোর জন্য সক্রিয়ভাবে “ল্যাঙ্গারখানা” এ অংশ নিয়েছিলেন। তিনি প্রভাষক পদে (১৯৮১ থেকে ১৯৮৮)পিএসি, দুমকি পটুয়াখালী (বর্তমানে পিএসটিইউ)পুষ্টি এবং খাদ্য বিজ্ঞান বিভাগ সহকারী অধ্যাপক (১৯৮৮ থেকে ১৯৯৬)পিএসি, দুমকি পটুয়াখালী (বর্তমানে পিএসটিইউ)পুষ্টি এবং খাদ্য বিজ্ঞান বিভাগ সহযোগী অধ্যাপক (১৯৯৬ থেকে ২০০২)পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পিএসটিইউ)পুষ্টি এবং খাদ্য বিজ্ঞান বিভাগ অধ্যাপক (২০০২ থেকে বর্তমান)পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। তিনি বলেন, আমি যদি পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে সুযোগ পাই তাহলে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে এই বিশ্ববিদ্যালয়কে দক্ষিন বঙ্গের শ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিনত করবো ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

প্রযুক্তি সহায়তায় ইন্টেল ওয়েব